নতুনদের জন্য বি-স্কিলড এর সকল কোর্সে ফ্ল্যাট ৩০% ডিস্কাউন্ট! সীমিত সময়ের জন্য!
copywriter

কন্টেন্ট হল কোন বিষয়ের উপর বিভিন্ন তথ্য, ঘটনা ও নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে একটি গল্প প্রকাশ করে। সেটি হতে পারে কোন লেখা, ছবি, ভিডিও কিংবা অডিও আকারে প্রকাশ করা। যাতে যে কেউ পড়ে বা দেখে খুব সহজেই সেই বিষয়ে কি বলা হচ্ছে তা বুঝতে পারে। 

কন্টেন্ট রাইটিং এবং এর বর্তমান অবস্থাঃ

কন্টেন্ট রাইটিং হল যেকোন একটি বিষয়বস্তুর উপর নিজের জ্ঞান ব্যবহার করে সুন্দরভাবে লিখে প্রকাশ করা। যার মাধ্যমে যে কেউ সেই লেখা পড়ে খুব সহজেই সেই বিষয়ে ধারণা পেতে পারে। এতে করে খুব সহজেই যিনি পড়ছেন, তিনি সেই বিষয়ের উপর ভালো ধারণা পাবেন। 

বর্তমান যুগে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি গুলো তাদের প্রডাক্ট বা সার্ভিস গুলো অনলাইনে প্রচার করার জন্য কন্টেন্ট এর ব্যবহার করে। তারা তাদের পণ্য, সার্ভিস বা নিজেদের ব্রান্ড এর উপর বিভিন্ন আর্টিকেল লিখে থাকে, এতে করে খুব সহজেই ক্রেতারা তাদের পণ্য এবং সার্ভিস সম্পর্কে ধারণা পায়। 

কন্টেন্ট রাইটিং বিভিন্ন বিষয়ের উপর হতে পারে, যেমন… 

  • ব্লগ আর্টিকেল
  • প্রোডাক্ট রিভিউ
  • রিসার্চ রাইটিং
  • পার্সোনাল রিভিউ
  • নিউজ আর্টিকেল রাইটিং
  • সোশ্যাল মার্কেটিং
  • ক্রিয়েটিভ রাইটিং

এসব ছাড়াও অনেক বিষয়ের উপর লেখা হয়ে থাকে। কন্টেন্ট রাইটিং মূলত একটি কিওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করে লেখা হয়ে থাকে। তাতে যদি কেউ সেই কিওয়ার্ড সার্চ করে, তাহলে লেখাটি খুব সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে। 

আপনি যদি ভালো লিখতে পারেন, তাহলে আপনার জন্যে অনেক সুযোগ রয়েছে। দেশে এবং দেশের বাহিরে কন্টেন্ট রাইটারদের অনেক ভ্যালু আছে। bdjobs.com, LinkedIn, kormo তে একটু ঘুরলেই দেখতে পারবেন, আমাদের দেশে কতো চাকুরীর সুযোগ রয়েছে কন্টেন্ট রাইটারদের। 

আপনি চাইলে freelancer হিসেবে কাজ করতে পারবেন। মার্কেটপ্লেস গুলোতে অনেক জব পাবেন। freelancer.com, upwork, fiverr এ অনেক চাহিদা রয়েছে কন্টেন্ট রাইটারদের জন্য। 

বর্তমানে প্রচুর কোয়ালিটি কন্টেন্ট রাইটার দরকার। কিন্তু সঠিক দক্ষতার অভাবে উপযুক্ত রাইটার পাওয়া যাচ্ছে না। এর কারণ হল এই বিষয়ে সঠিক জ্ঞান না থাকা এবং বেশিরভাগ মানুষই সঠিক দক্ষতায় দীক্ষিত হওয়ার ক্ষেত্রে মনোযোগী নয় আর তাই তারা কর্মক্ষেত্রে ভালো করতে পারে না।

আপনি যদি বেসিক বিষয় গুলো না জানেন, তাহলে আপনি যত ভালোই লিখুন না কেন, কর্মক্ষেত্রে তা কাজে আসবে না। কারণ আপনার লেখা যতই ভালো হোক না কেন, তা যদি optimized না হয়, তাহলে তা কোন কাজে আসবে না। যদি আপনি থিসিস পেপার, manuscript, assignment এই সব লিখে থাকেন তাহলে ভিন্ন কথা। 

বর্তমানে আইটি সেক্টরে অসংখ্য কাজ রয়েছে। কিন্তু আপনাকে তা ভালো করে বুঝতে হবে। আপনাকে যাচাই করতে হবে, আপনি নিজে কোন বিষয়ে পারদর্শী। এরপর নিজেকে সেভাবে তৈরি করতে হবে। 

পিছিয়ে পড়লে চলবে না। সঠিক দক্ষতা বৃদ্ধি করে আপনাকে এগিয়ে যেতে হবে আপনার লক্ষ্যের দিক। আপনি যদি লেখালিখি ভালবাসেন তাহলে এই পেশা আপনার জন্যে খুব সহজ এবং উপভোগ্য হবে। সঠিক গাইডলাইন ফলো করলেই আপনি অনেক ভালো করতে পারবেন এবং সবার থেকে এগিয়ে থাকতে পারবেন। 

বি-স্কিলড, এই ওয়েবসাইটটি আপনাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বদ্ধপরিকর। এখানে পাবেন অসংখ্য স্কিল ডেভেলপমেন্ট এর কোর্স। আপনি আমাদের কন্টেন্ট রাইটিং নিয়ে করা কোর্স থেকে একজন কন্টেন্ট রাইটার হতে যা যা দরকার তার সবকিছুই জানতে পারবেন। কিভাবে একজন কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়বেন তার বিস্তারিত গাইডলাইন পাবেন আমাদের এই কোর্স থেকে। 

কন্টেন্ট রাইটিং এর প্রকারভেদঃ

কন্টেন্ট রাইটিং অনেক বড় একটি সেক্টর। এখানে অনেক ধরনের কাজ রয়েছে। আপনি যদি বেসিক জানেন, তাহলে আপনি যেকোন সেক্টরে কাজ করতে পারবেন। যেহেতু এটি একটি সৃজনশীল পেশা, সেহেতু লেখার মানের উপর নির্ভর করে অনেক কাজ পাওয়া সম্ভব।

গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন প্লাটফর্ম তৈরি হয়েছে, সেই সব প্লাটফর্ম এর জন্য আলাদা আলাদা ধরনের কন্টেন্ট প্রয়োজন হয়। নিচে আমরা বিভিন্ন টাইপের কন্টেন্ট রাইটিং সম্পর্কে আলোচনা করবো… 

  • Copywriting: এটি মূলত বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি তাদের পণ্যের প্রচার করার জন্য বিভিন্ন ধরনের কন্টেন্ট লিখে থাকে। এইসব কন্টেন্ট এর মূল বিষয় থাকে সেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির প্রচারনা করা। মূল উদ্দেশ্য থাকে জনগণের attention grab করা।
  • Blogging: ব্লগিং হল কোন একটি বিষয়ের উপর আর্টিকেল লিখা। এই ক্ষেত্রে আর্টিকেল হতে পারে অনেক তথ্য বহুল অথবা স্বল্প পরিমান। এর জন্যে অনেক রিসার্চ করার প্রয়োজন হয়।
  • Creative Writing: ক্রিয়েটিভ রাইটিং এর মাধ্যমে এরজন লেখক তার নিজস্ব ক্রিয়েটিভিটি দিয়ে লিখে থাকেন। এখানে আপনার নিজস্ব স্ব-কীয়তা বেশি প্রকাশ পাবে। আপনার লেখার বিষয় যেকোন কিছু হতে পারে। 
  • News Writing: বর্তমানে অনেক নিউজ পোর্টাল অনেক রাইটার হায়ার করছে, এর কারণ হল তাদের প্রতিদিন অনেক নিউজ লিখতে হয়। বিভিন্ন ধরনের ছোট আর্টিকেল, সমসাময়িক ঘটনা, লাইফ স্টাইল সহ নানা বিষয়ে লিখতে হয়। বর্তমানে বিভিন্ন নিউজ টিভি চ্যানেল, অনলাইন নিউজ পেপার, সোশ্যাল মিডিয়া, ম্যাগাজিনের জন্য অসংখ্য রাইটার দরকার হচ্ছে।
  • Affiliate Content Writing: অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং মূলত পণ্যের প্রচার করা। ক্রেতাদের কে সাজেশন দেয়া হয়, পণ্যের রিভিউ লেখার মাধ্যমে। যখন কোন গ্রাহক সেই আর্টিকেল দেখে কোন পণ্য কিনবে, তখন কমিশন আয় হয়।
  • Social Media: এই ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি তাদের পণ্যের প্রচার করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলোকে বেছে নেয়। কারণ এর মাধ্যমে খুব সহজেই অসংখ্য মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছানো যায়।

কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে ক্যারিয়ার কিভাবে শুরু করবেন?

কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করার জন্যে প্রথমে যে কাজ করতে হবে তা হল, আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনার আসলে এই সেক্টরে কাজ করার ইচ্ছে আছে কিনা। 

যদি আপনার ধৈর্য কম থাকে, লেখালিখি উপভোগ না করেন, জানার আগ্রহ কম থাকে, তাহলে আপনি যত চেষ্টাই করুন না কেন একজন কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে ভালো করতে পারবেন না। 

  • আপনি যাই লিখুন না কেন চেষ্টা করবেন নিজের মত করে লিখতে। নিজের মত লিখতে না পারলে সে লেখার কোন মূল্য নেই। আপনি যদি অন্যের লেখা কপি করেন তাহলে তা অবশ্যই ধরা পরবে এবং সেটি কোন কাজে আসবে না।
  • লেখায় সব সময় complex sentence পরিহার করুন। সাবলীল ভাষা ব্যাবহার করুন, যাতে যে পড়ছে তার বুঝতে সুবিধা হয়।
  • বাংলা বা ইংরেজি যে ভাষায় লিখতে চান না কেন, ভাষা ও ব্যাকরণের উপর ভালো জ্ঞান থাকতে হবে।
  • লেখার ভেতর বৈচিত্র্য আনতে হবে, দ্রুত নির্ভুল বানানে লিখার অনুশীলন করতে হবে। 
  • সব সময় চেষ্টা করবেন গ্রামাটিকাল ভুল যাতে কম হয়। আপনি চাইলে টুলস ইউজ করতে পারেন। অনলাইনে অসংখ্য ফ্রি-টুলস পাবেন গ্রামার চেক করার জন্যে। 
  • বোঝার চেষ্টা করুন আপনার ক্লায়েন্ট কি চায়। ঠিক সেভাবে আপনার কন্টেন্ট আউট-লাইন তৈরি করুন। 
  • বেসিক SEO সম্পর্কে জানুন। যেমন কিওয়ার্ড রিসার্স, কিভাবে আপনার কন্টেন্ট অপ্টিমাইজ করবেন এসব বেসিক বিষয়। এতে আপনি অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকবেন।  

বি-স্কিলডে কন্টেন্ট রাইটার হবার জন্যে আছে পরিপূর্ণ একটি কোর্স। যে কোর্সের মাধ্যমে আপনি কন্টেন্ট রাইটিং বেসিক থেকে শুরু করে সবকিছুই শিখতে পারবেন। কোর্স ডিটেইলস জানতে এখানে ক্লিক করুন। 

কন্টেন্ট রাইটিং এর ভবিষ্যৎ…

ভবিষ্যতে অনেক সুযোগ রয়েছে কন্টেন্ট রাইটারদের জন্য। তেমনি অনেক বাধাও রয়েছে। বর্তমানে সবাই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, সময়ের সাথে সাথে ওয়েবসাইট এর পরিমাণও বাড়ছে। সেই সাথে প্রচুর কম্পিটিশনও বাড়ছে। এছাড়া মানুষের চাহিদাও বাড়ছে, প্রতিদিন নতুন কিওয়ার্ডও অ্যাড হচ্ছে।

পৃথিবীতে ৭.৫ বিলিয়ন মানুষ আছে, এর সাথে ওয়েবসাইট এর সংখ্যাও বেড়ে চলছে প্রতিনিয়ত। ওয়েবসাইট এর সংখ্যা পৃথিবীর মানুষের সংখ্যা ছাড়িয়ে যেতে আর বেশিদিন সময় লাগবেনা। প্রায় ১ বিলিয়ন ওয়েবসাইট রয়েছে বর্তমানে।

এছাড়াও বিভিন্ন টুলস, AI এর ব্যবহার দিন দিন বেড়ে চলছে। কন্টেন্টের লে-আউট তৈরি করা থেকে শুরু করে কন্টেন্ট লেখা এসবই সম্ভব হচ্ছে বিভিন্ন টুলস ও AI ব্যবহার করে। সেরকম কিছু টুলস হচ্ছে… 

  • Jarvis 
  • Rytr 
  • AI writer 
  • INK editor 

এসব টুলস ব্যবহার করে আপনিও খুব সহজেই যেকোন ধরনের কন্টেন্ট লিখতে পারবেন। এছাড়াও কন্টেন্ট SEO friendly করার জন্যে রয়েছে আরও অনেক টুলস। যা আপনার অনেক সময় বাঁচাবে। যেমন…  

  • Surfer SEO 
  • Topic
  • Clearscope
  • Marketmuse
  • Dashword
  • Frase

এসব টুলস ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই আপনার কন্টেন্ট SEO friendly করতে পারবেন। আপনি যদি এসব টুলস দক্ষতার সাথে ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে থাকবেন। 

আপনি যদি ভালো লিখতে জানেন, তাহলে আপনার জন্য অনেক দরজা খোলা রয়েছে। কারণ, আপনি জানেন কিভাবে কোয়ালিটি কন্টেন্ট লিখতে হয়। এসকল AI টুলসকে সঠিকভাবে ব্যবহার করার জন্য দক্ষ জনবল দরকার। 

AI এবং আপনার দক্ষতা দুইটি মিলে অবশ্যই ভালো আউটপুট আসবে, প্রপারলি অপ্টিমাইজড কোয়ালিটি কন্টেন্ট তৈরি করা সহজ হয়ে যাবে। যার ফলে খুব সহজেই আপনার লেখা কন্টেন্ট সার্চ-ইঞ্জিন গুলোতে র‍্যাঙ্ক করবে। এবং অতি অল্প সময়ে আপনিও অনেক কোয়ালিটি কন্টেন্ট তৈরি করতে পারবেন।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.