নতুনদের জন্য বি-স্কিলড এর সকল কোর্সে ফ্ল্যাট ৩০% ডিস্কাউন্ট! সীমিত সময়ের জন্য!
why-skill-development

বর্তমান যুগে স্কিল ডেভেলপমেন্ট ছাড়া জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা কঠিন। প্রযুক্তি উন্নয়নের সাথে সাথে প্রতিযোগিতাও দিন দিন বাড়ছে। এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে স্কিল ডেভেলপমেন্ট করা ছাড়া কোন বিকল্প নেই। যে যত বেশি স্কিল ডেভেলপ করবে, সে কর্ম ক্ষেত্রে ততো এগিয়ে থাকবে।

বর্তমান সময়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জনের পরও বেশির ভাগ মানুষ বেকার। একাডেমিক পড়াশোনার সাথে ভাল কোন স্কিল না থাকায় অনেকে চাকুরী পাচ্ছে না, আথবা চাকুরী পেলেও অল্প বেতনে কাজ করছে।

আর এলক্ষ্য পূরণের জন্য বি-স্কিলড এর যাত্রা। মানসম্পন্ন স্কিল ডেভেলপমেন্ট কোর্সের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে আপনাকে এগিয়ে রাখাই আমাদের উদেশ্য। 

কেনো গুরুত্ব দিতে হবে? 

আমরা সকলেই চাই ভালো একটি ভবিষ্যৎ। নিজের পছন্দের ক্যারিয়ার, সেই লক্ষ্যে আগানোর জন্যে আমাদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট এর দিকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। কারণ বর্তমানে চাকরীর বাজার অনেক প্রতিযোগিতা মূলক। 

বিভিন্ন কোম্পানি তাদের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ লোক পাচ্ছে না। সেই জন্যে তারা অন্য দেশের দক্ষ কর্মীদের নিয়োগ করছে। সেই কারণে দেশের অনেক মানুষ বেকার থেকে যাচ্ছে। আমাদের যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে, তাছাড়া বেশিদূর যাওয়া সম্ভব হবে না। 

যেমন ধরুন আপনি লিখতে ভালবাসেন, অন্য আরেকজন লেখার সাথে সাথে লেখাটি SEO friendly করে লিখতে পারে। এখন জব মার্কেটে উনি আপানার চেয়ে এগিয়ে থাকবে শুধু তার একটি স্কিলের জন্য। কারণ তার লেখা মানুষের কাছে পৌঁছানো সহজ। 

কেনো আমরা পিছিয়ে আছি এবং অবহেলা করছি?

আমাদের অন্যান্য দেশের চেয়ে পিছিয়ে থাকার প্রধান কারণ হল আমরা অন্যের অর্জন দেখে অনুপ্রাণিত হই। কিন্তু আমরা চিন্তা করে দেখিনা তারা কিভাবে সেই সাফল্য অর্জন করেছে। আমাদের উচিত তাদের ফলো করা। সমালোচনা না করে নিজের স্কিল ডেভেলপ করা। কারণ, কষ্ট করলেই সাফল্য আসবে। 

আরেকটি কারণ হল আমরা নিজেদেরকে অবহেলা করি। সময় দিতে হবে যেকোন কিছুর জন্যে। প্রচুর ঘাটাঘাটি করতে হবে সকল বিষয় নিয়ে। এতে করে নিজের আগ্রহ কোন বিষয়ে সেটি জানতে পারবেন। এরপর সেই স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য এগিয়ে যেতে হবে।

স্কিলের প্রকারভেদঃ

পেশাগত জীবনে দুই ধরনের স্কিল থাকা উচিত, একটি সফট স্কিল, অন্যটি হার্ড স্কিল। সফট স্কিল হল সেসব স্কিল যেগুলো আপনার ব্যক্তিত্বকে তুলে ধরতে সক্ষম। আর অন্যদিকে হার্ড স্কিল হল আপনার কাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ দক্ষতাকে বুঝানো হয়। 

কি কি স্কিল ডেভেলপ করতে পারেন?

অনেক ধরনের স্কিল রয়েছে, বর্তমানে আপনি আপনার কাজ বা ইন্টারেস্টের উপর নির্ভর করে স্কিল ডেভেলপ করতে পারেন।

বর্তমান যুগে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াও কিছু টেকনিক্যাল স্কিল জানা থাকলে কর্মক্ষেত্রে অনেক সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়। আপনি যে সকল বিষয়ে স্কিল ডেভেলপ করতে পারেন সেইগুল হল… 

  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • এসইও 
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন 
  • ওয়েব ডিজাইন 
  • গেম ডেভেলপমেন্ট
  • এফিলিয়েট মার্কেটিং
  • ভিডিও এডিটিং
  • কন্টেন্ট রাইটিং

এই সকল স্কিল গুলোর মধ্যে যদি আপনি যেকোন একটি সেক্টর নিয়ে আপনার স্কিল ডেভেলপ করেন, তাহলে কর্ম ক্ষেত্রে আপনি অনেক এগিয়ে থাকবেন অন্যদের চেয়ে। এছাড়াও আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করেন তাহলে অন্যদের চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকবেন। আর আমাদের উচিত নতুন কিছু শেখা। 

আপনি যদি কর্মক্ষেত্রে ভালো অবস্থান তৈরি করতে চান, তাহলে আপনার কমিউনিকেশন স্কিল বাড়াতে হবে। আপনি যখন কর্মক্ষেত্রে যাবেন, তখন অনেক মানুষের সাথে আপনার কথা বলতে হবে। আপনার দক্ষতার উপর নির্ভর করবে অনেক কিছু। আপনার যে প্রধান দুইটি জিনিস লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল…

  • Fluent English speaking
  • Presentation skill

ধরুন, আপনি একজন চাকরিজীবী। একটি মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে ভালো পোস্টে আছেন। সেখানে দেশি বিদেশি অনেকে কাজ করেন। আপনার সবার সাথে যোগাযোগ করতে হয়। 

এখন একজন বিদেশী এমপ্লয়ির সাথে যখন আপনি কথা বলবেন, তখন আপনাকে অবশ্যই ইংরেজিতে কথা বলতে হবে। এছাড়া তাদের সাথে যোগাযোগ করার অন্য কোন উপায় নেই। শুধু তাই নয় নিজের কাজ সঠিকভাবে পালন করতে সিনিয়র জুনিয়র সবাইকে একসাথে মানিয়ে নিয়ে চলতে হয়। 

আপনি যদি ভালো ইংরেজি বলতে পারেন এবং প্রেজেন্টেশন স্কিল ভালো হয়, তাহলে আপনি অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে থাকবেন। কারণ বাহিরের মানুষের সাথে তখন যোগাযোগের জন্য আর কোন বাধা থাকে না। 

এছাড়া বেশকিছু কর্পোরেট স্কিল ডেভেলপমেন্ট করতে পারেন, যা করলে আপনি জব সেক্টরে উপকৃত হবেন এবং অন্যদের চেয়ে একধাপ এগিয়ে থাকবেন। যেমন… 

  • একাউন্টিং রিলেটেড সফটওয়্যার (QuickBooks, Tally) 
  • মাইক্রোসফট অফিস
  • এক্সেল

এসব যদি আপনি আগে থেকে শিখে রাখেন তাহলে কর্মক্ষেত্রে আপনার কাজ করতে অনেক সহজ হয়ে যাবে। কারণ বর্তমানে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান প্রযুক্তি ব্যাবহার করছে। 

এছাড়াও সৃজনশীল দক্ষতা বাড়ানোর জন্য শিখতে পারেন ক্রিয়েটিভ স্কিল ডেভেলপমেন্ট। এইসব স্কিলের ভিতরে রয়েছে… 

  • ফটোগ্রাফি
  • সিনেমাটোগ্রাফি
  • স্কেচ
  • লিখালিখি 
  • ইন্সট্রুমেন্ট

কোনটি আগে শুরু করবেন? 

যখন আপনি চাকুরীর জন্যে আবেদন করবেন, তখন আপনি অবশ্যই আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদন করবেন। কিন্তু আপনি ছাড়া আরও অনেকে সেই পোস্টের জন্যে আবেদন করবে। 

আপনি যদি ফ্রেশার হন, তাহলে আপনার জন্যে ডাক পাওয়া অনেক কঠিন হয়ে যাবে। কারণ কেউই ফ্রেশার নিয়োগ দিতে চায় না। তবে নিয়োগকারী যদি দেখে যে আপনি ফ্রেশার হবার পরও অনেক টেক্যনিকাল স্কিল রয়েছে আপনার, তখন অবশ্যই আপনাকে কল করবে। তাই ফ্রেশারদের জন্য স্কিল ডেভেলপমেন্ট অনেক গুরুত্তপূর্ণ। 

চাকুরী খোঁজার সামাজিক মাধ্যম LinkedIn এ ২০১৯ থেকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি যেসব স্কিলের চাহিদা ছিল সেসব স্কিল গুলো creativity, collaboration এবং tech savvy. তাই আপনাকে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে, নতুন নতুন স্কিল আয়ত্ত করতে হবে।

এখন শুরু করার আগে আপনাকে ভাবতে হবে আপনি কোন বিষয়ে দক্ষ। কোন বিষয়ে আপনার আগ্রহ আছে এবং কোন বিষয়ের উপর ক্যারিয়ার গড়তে চান। এর উপর ভিত্তি করে আপনাকে আপনার স্কিল ডেভেলপমেন্ট করতে হবে।

যদি আপনার ইচ্ছে থাকে নতুন কিছু করার এবং এই সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়ার, তাহলে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং, SEO, Graphics Design এই সকল কোর্স গুলো করতে পারেন। আপনি চাইলে কোর্স করে ঘরে বসেই ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে আয়ও করতে পারেন। 

আপনি যদি চাকুরীর বাজারে এগিয়ে থাকতে চান তাহলে আপনি একাউন্টিং রিলেটেড সফটওয়্যার (QuickBooks, Tally), মাইক্রোসফট অফিস, এক্সেল শিখতে পারেন। এতে করে আপনি কর্মক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে থাকবেন। 

আর আপনি যদি নিজের প্যাশন থেকে কিছু করতে চান তাহলে আপনি লেখালিখি, ফটোগ্রাফি, সিনেমাটোগ্রাফি, স্কেচ এইসব স্কিল ডেভেলপমেন্ট করতে পারেন। এই সেক্টর গুলোতেও অনেক চাহিদা রয়েছে। 

যেসব বিষয় মাথায় রাখতে হবেঃ

সর্বপ্রথম যে বিষয় মাথায় রাখতে হবে, তা হচ্ছে আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে। শেখার আগ্রহ থাকতে হবে, তা নাহলে অনেক সমস্যা ফেইস করতে হবে। এরপরে আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনি কোন সেক্টরে আগ্রহি। তাছাড়া আপনি যতই চেষ্টা করেন না কেন, কোন লাভ হবে না। 

শেষ কথা…

সর্বশেষ যে কথা মাথায় রাখতে হবে, তা হল আপনাকে লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। লক্ষ্য ঠিক না করলে সঠিক পথে আগানো যায় না। আপনি যাই করুন, সময় নিয়ে করুন। অল্পতে হাল ছেড়ে দেয়া যাবে না। অভিজ্ঞতা সহজে আসে না, এর জন্যে চেষ্টা করতে হয়। তবে চেষ্টা করলে সাফল্য অবশ্যই আসবে। 

এই ওয়েবসাইটে অনেক কোর্স পাবেন, যা আপনাকে স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করবে, এবং কর্মক্ষেত্রে অন্যদের থেকে অনেক এগিয়ে রাখবে। আপনি কোর্স গুলো থেকে খুব সহজেই একদম বেসিক থেকে এডভান্স লেভেলের সব কিছু জানতে পারবেন।

বি-স্কিলড অফার করছে স্কিল ডেভেলপমেন্টের উপর বিভিন্ন কোর্স। যে কোর্স গুলোতে অংশ নিয়ে আপনিও নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারেন। আমাদের কোর্স গুলো দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.